যে ৫টি বিষয় সঙ্গীকে কখনোই বলবেন না!

আপনার ভালোবাসার মানুষের সাথেই যে সব বিষয় নিয়ে খুঁটিনাটি আলোচনা করতে হবে তা কিন্তু নয়। তাঁকে সবকিছু প্রকাশ্যে বলা মোটেও ঠিক নয়। কারণ বাস্তবতা ভিন্ন। যদিও নিজের মনের ভাব ব্যাপারে সমস্ত কিছু কখনোই অন্য কাউকে জানিয়ে দেওয়া উচিৎ নয়। হ্যাঁ, এমনকি ভালোবাসার মানুষকেও নয়। কারণ এতে অনেক ক্ষেত্রেই সম্পর্কে পড়ে বিরূপ প্রভাব। যে কথাগুলো তাঁকে জানাবার প্রয়োজন নেই, সেগুলো জানাতে গেলে, সম্পর্ক অযথাই বিরক্তিকর ও পরস্পরের প্রতি আকর্ষণহীন হয়ে পরবে। অনেকক্ষেত্রেই সঙ্গীর প্রতি বাজে ধারণার সৃষ্টি হতে পারে।

১.আপনি তার পরিবারকে পছন্দ করেন নাঃ আপনার হয়তো সঙ্গীর পরিবারকে ভালো না লাগতে পারে। কিন্তু, এই বিষয়টি কখনো সঙ্গীকে বলার প্রয়োজন নেই। মনে রাখবেন,পরিবারের ব্যাপারে কিছু শুনতে কেউই পছন্দ করে না। অযথা নিজের অপছন্দের কথা জানিয়ে সঙ্গীর অপ্রিয় হয়ে উঠবেন না।

২. তার প্রাক্তনের ব্যাপারে অতি আগ্রহঃ সঙ্গীর প্রাক্তনের ব্যাপারে সকলেরই কমবেশি আগ্রহ থাকে। হয়তো আপনার কিঞ্চিত বেশি আছে।সঙ্গীর প্রাক্তনের ব্যাপারে সবকিছু হয়তো আপনি জেনে ফেলেছেন। কিন্তু এইসব ব্যাপার সঙ্গীকে ভুলেও জানাবেন না যেন। ব্যাপারটা তিনি ভালোভাবে নাও নিতে পারেন।

৩. আপনার প্রাক্তনের সমস্ত খুঁটিনাটিঃ নিজের প্রাক্তন সঙ্গীর সাথে সম্পর্কের সমস্ত খুঁটিনাটি, সুন্দর-অসুন্দর মুহূর্তের কথা বর্তমানের মানুষকে জানাবার কোন প্রয়োজন নেই। এতে সমস্যা বাড়বে।

৪. পরিবারের দুর্বল দিকঃ নিজের পারিবারিক গোপন কথা বা দুর্বল দিকগুলো কখনো সঙ্গীকে জানিয়ে দিতে নেই। দাম্পত্য বা প্রেমের সম্পর্ক কিছুদিন পর নাও থাকতে পারে, কিন্তু পারিবারিক সম্পর্ক আজীবনের।

৫. বন্ধুদের বদনামঃ আপনি যাদের সাথে মেলামেশা করেন, তাঁদের নামে কুৎসা করার ভুল একেবারেই করবেন না। ঝগড়ার সময়ে এটাই বড় ইস্যু হয়ে দাঁড়াবে। মনে রাখবেন, যার ব্যাপারে গীবত করার প্রয়োজন হয়, তিনি আপনার বন্ধু নন।

তাঁর ব্যাপারে খোঁজ-খবর হয়তো সম্পর্কটি করার আগে তাঁর ব্যাপারে আপনি খোঁজ-খবর করেছেন, তাঁর পরিবার বা সামাজিক অবস্থার বিষয়ে খোঁজ নিয়েছেন। এই খোঁজ-খবর করাটা মোটেও খারাপ কিছু নয়। কিন্তু তা সঙ্গীকে জানতে না দেয়াই উত্তম। সম্পর্ক রক্ষায় সময় দিন। দেখবেন সুখী থাকুন। অযথা নিজের অপছন্দের কথা জানিয়ে সঙ্গীর অপ্রিয় হয়ে উঠবেন না।